মামুন তার এলাকার ফসলের জমিতে সেচের পানির অপচয় দেখে চিন্তিত হলো। স্থানীয় কৃষি অফিস, পত্রিকা, কৃষি সম্পর্কিত বই পড়ে সে বিভিন্ন প্রকার সেচ পদ্ধতি সম্পর্কে জানল এবং এলাকার কৃষকদের সাশ্রয়ী পদ্ধতিতে সেচ প্রদানের পরামর্শ দিল।
মামুন বিভিন্ন প্রকার সেচ পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা লাভ করেছিল। ফসল উৎপাদনের জন্য কৃত্রিম উপায়ে জমিতে পানি সরবরাহ করাকে সেচ বলে। জমিতে সেচ প্রয়োগের পদ্ধতিগুলোকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ভূ-পৃষ্ঠ সেচ পদ্ধতি, ভূ-নিম্নস্থ সে থালা বা রিং বেসিন এবং করোগেশন পদ্ধতিতে ভাগ করা হয়। মুক্ত প্লাবন পদ্ধতিতে জমির ভিতরে পানি চলাচলের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ না রেখে পানি দিয়ে সমস্ত জমি প্লাবিত করা হয়। আইল পদ্ধতিতে জমিকে আইল দ্বারা কতগুলো খণ্ডে বিভক্ত করা হয় এবং সেচের পানি নিয়ন্ত্রিতভাবে একটির পর একটি খণ্ডে পর্যায়ক্রমে সরবরাহ করা হয়। নালা পদ্ধতিতে সারিতে বপন বা রোপণ করা ফসলের সারি বরাবর অগভীর নালা করে সেচ দেওয়া হয়। থালা বা রিং পদ্ধতিতে ফলের বাগান বা কুমড়া, লাউ ইত্যাদি সবজির বাগানে সেচ দেওয়া হয়। করোগেশন পদ্ধতিতে মাঠ ফসলে অগভীর নালায় সেচ দেওয়া হয়। ভূ-নিম্নস্থ পদ্ধতিতে মাটির নিচে পাইপ বসিয়ে উদ্ভিদের শিকড় অঞ্চলে পানি সরবরাহ করা হয়। ফোয়ারা সেচ পদ্ধতিতে সেচের পানি পাম্প করে পাইপ বা নজেলের ভিতর দিয়ে বৃষ্টির ফোঁটার মতো জমিতে ছিটিয়ে দেওয়া হয়। ড্রিপ বা ফোঁটা পদ্ধতিতে প্লাস্টিকের নলের সাহায্যে গাছের গোড়ায় ফোঁটা ফোঁটা পানি দেওয়া হয়।চ পদ্ধতি, ফোয়ারা সেচ পদ্ধতি এবং ড্রিপ বা ফোঁটা সেচ পদ্ধতি। এগুলোর মধ্যে ভূ-পৃষ্ঠ সেচ পদ্ধতিকে মুক্ত প্লাবন, আইল, নালা,
পরিশেষে বলা যায়, সেচের পানির অপচয় রোধে উল্লিখিত সেচ পদ্ধতিগুলো সম্পর্কে ধারণা লাভ করে যথাযথভাবে ব্যবহার করায় মামুন লাভবান হয়েছিল।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?